বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচনি পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান হিসেবে ইভারস ইজ্যাবসকে নির্বাচন করা হয়েছে। ইইউর ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ইভারস ইজ্যাবস লাটভিয়ার একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য।
ইইউ বলেছে, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের প্রেক্ষিতে ইউরোপীয় কমিশনের একজন হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কাল্লাস বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ইইউ নির্বাচনি পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে ইভারস ইজ্যাবসকে এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
ইভারস ইজ্যাবস বলেছেন, বাংলাদেশে পর্যবেক্ষণ দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কাজকে সম্মানজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই মিশন নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করবে। এই মিশন হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের জন্য ইইউর সমর্থনের একটি বাস্তব উদাহরণ এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ।
ইইউ বাংলাদেশে পর্যবেক্ষণ দল পাঠানোর জন্য বেশ কিছুদিন থেকে আলোচনা করছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফররত ইইউ প্রাক-নির্বাচনি বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করে। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ওই বৈঠক শেষে বলা হয়েছিল, আগামী সংসদ নির্বাচন দেখতে দেড়শ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ।
এই নির্বাচনে ইইউর পর্যবেক্ষণ মিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। ইভারস ইজ্যাবসের নেতৃত্বে এই মিশন বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করবে। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হবে।
ইইউর এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হবে। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ও ইইউর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই সমঝোতা স্বাক্ষরিত হলে ইইউর পর্যবেক্ষণ মিশনের কাজকে আরও সুসংগত করা যাবে।
ইভারস ইজ্যাবসের নেতৃত্বে ইইউর পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করবে। এই মিশন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হবে। ইইউর এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হবে।



