ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই উদযাপনে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অংশগ্রহণ করেছে। সোমবার বিকেল থেকে বিজয়ের প্রথম প্রহর পর্যন্ত চলে টিএসসিভিত্তিক ছাত্রসংগঠনগুলোর সম্মিলিত আয়োজন ‘রক্তে রাঙা বিজয় আমার ২০২৫’।
টিএসসিতে ছাত্র ইউনিয়ন আয়োজিত প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধে সংগঠনটির অবদানের দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও তৎকালীন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের দোসর আলবদর ও রাজাকারদের কৃতকর্মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
গতকাল বিকেল থেকে টিএসসিভিত্তিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত আয়োজনে নানান সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে প্ল্যানচেট বিতর্ক, সম্মিলিত গান, বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশনা ও আতশবাজি অন্যতম। সবশেষে রাত ১২টা ১ মিনিটে বিজয়ের প্রথম মুহূর্তে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে টিএসসিতে বিজয় দিবসের মূল উদযাপন শুরু হয়।
বিজয় দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে ছাত্রসংগঠনগুলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ঐতিহ্য ধারণ করে চলার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে। এই উদযাপন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিজয় দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে ছাত্রসংগঠনগুলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতি অঙ্গীকার প্রকাশ করেছে। এই উদযাপন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চেতনা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বিজয় দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে ছাত্রসংগঠনগুলো মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এই উদযাপন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: বিজয় দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে আমরা কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ঐতিহ্য ধারণ করে চলতে পারি? আমরা কীভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারি?



