মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে গুলশান-২ গোলচত্বরে এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ সীমান্তে হত্যা বন্ধ চায়। তিনি বলেন, ফেলানীর নামে এই সড়কের নামকরণ করা হয়েছে তাঁর প্রতি সম্মান জানাতে এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানাতে।
এই অনুষ্ঠানে গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত সড়কটির নাম ‘ফেলানী এভিনিউ’ হিসেবে নামফলক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা বলেন, সীমান্ত হত্যার মতো একটি জঘন্যতম পরিস্থিতি বাংলাদেশের সীমান্তে বিরাজ করছে, যা বিশ্বের বিবেকের কাছে আমরা তুলে ধরছি। বর্তমান সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, ফেলানী হত্যাকাণ্ড নিছক একটি হত্যাকাণ্ড নয়; এটি একটি সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে নিজেদের সম্মান বজায় রাখার প্রতীক ও প্রতিবাদ হিসেবেই ফেলানীর নামে এই সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজসহ ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে এবং ফেলানীর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে।
ফেলানী এভিনিউ উদ্বোধনের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে এবং এই বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে এবং এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানোর জন্য এই অনুষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে এবং এই বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে এবং এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে।



