বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীরাঙ্গনা শেখ ফাতেমা আলী তার জীবনের কথা বলছেন। তিনি বলছেন, যুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। তার পরিবারের অনেক সদস্য নিহত হয়েছিল।
শেখ ফাতেমা আলী বলছেন, যুদ্ধের পরেও তিনি সমাজের অবহেলা ও অপমানের শিকার হয়েছেন। তিনি বলছেন, তার মেয়ের সংসার ভেঙেছে এবং তিনি সামাজিকভাবে নিগৃহীত হয়েছেন।
শেখ ফাতেমা আলী এখন তার মৃত্যুর পরে তার উত্তরসূরিদের অপমান ও গঞ্জনার ভার বহন না করার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। তিনি বলছেন, তিনি চান তার মৃত্যুর পরে তার উত্তরসূরিরা এই অপমান ও গঞ্জনার ভার বহন না করে।
শেখ ফাতেমা আলীর বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার তাড়াইল গ্রামে। তার বাবা শেখ আতিয়ার রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। এই খবর রাজাকাররা দিয়ে আসে পাকিস্তানি আর্মি ক্যাম্পে। ওরা এসে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়।
শেখ ফাতেমা আলী বলছেন, তিনি এখন একজন অসুস্থ মানুষ। তিনি বলছেন, তিনি হাতের লাঠি নিয়া মুসাফিরের মতন দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বলছেন, তিনি কোনো কিছু পাওয়ার আশায় যুদ্ধ করেননি। তিনি বলছেন, তিনি দেশ রক্ষা করার জন্য, নিজের ইজ্জত রক্ষা করার ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন।
শেখ ফাতেমা আলী বলছেন, তিনি এখন তার মৃত্যুর পরে তার উত্তরসূরিদের অপমান ও গঞ্জনার ভার বহন না করার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। তিনি বলছেন, তিনি চান তার মৃত্যুর পরে তার উত্তরসূরিরা এই অপমান ও গঞ্জনার ভার বহন না করে।
শেখ ফাতেমা আলীর কথা শোনার পরে এটা স্পষ্ট যে তিনি একজন অত্যন্ত সাহসী ও নিবেদিত মানুষ। তিনি তার দেশ ও জাতির জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেছেন। তার গল্প আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে এবং আমাদেরকে আমাদের দেশ ও জাতির প্রতি আমাদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।



