চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০১ জন শিক্ষক এক বিবৃতিতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শামীম উদ্দিন খানের একটি বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। তারা বলেছেন, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে প্রদত্ত বক্তব্যটি বিভ্রান্তিকর এবং এটি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।
শিক্ষকরা বলেছেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের বক্তব্যটি সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা ভুল ধারণা তৈরি করেছে। তারা আরও বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ব্যক্তি, দল বা রাজনৈতিক দলের নামে উপস্থাপন করা ইতিহাসের বিকৃতি।
শিক্ষকরা বলেছেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর শহিদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেননি, বরং এই ঘটনার প্রকৃতি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। তারা আরও বলেছেন, ১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিল, যখন পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটছিল।
শিক্ষকরা একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি করেছেন, যাতে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃতি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে সত্য উদঘাটন করা যায়। তারা বলেছেন, এই কমিশন গঠন করা আবশ্যক, যাতে সত্য উদঘাটন করা যায় এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা যায়।
শিক্ষকরা আরও বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত নয়। তারা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস হল বাংলাদেশের ইতিহাস, এবং এটি সমস্ত বাংলাদেশীর ঐক্যের প্রতীক। তারা আরও বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করা এবং এর চেতনা ধারণ করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
শিক্ষকরা বলেছেন, আমরা সকলেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করি এবং এর চেতনা ধারণ করি। তারা আরও বলেছেন, আমরা সকলেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি। তারা বলেছেন, আমরা সকলেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করে এবং এর চেতনা ধারণ করে দেশের সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে পারি।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করার জন্য আমরা কী করতে পারি? মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে আমরা দেশের উন্নয়নে কীভাবে অবদান রাখতে পারি?



