মিয়ানমারের সাবেক গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশের পর মিয়ানমার জান্তা সরকার এক বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সু চির স্বাস্থ্য ভাল আছে।
মিয়ানমারের জান্তা সরকার পরিচালিত ডিজিটাল নিউজ পোস্ট করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে তার শারিরিক অবস্থা নিয়ে এর চেয়ে বেশি আর কিছু বলা হয়নি বিবৃতিতে। এমনকি সুচির স্বাস্থ্য ভাল থাকার কোনও প্রমাণও জান্তা সরকার দেয়নি.
সু চির ছেলে কিম অ্যারিস জাপানে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আমি গত কয়েক বছর ধরে আমার ৮০ বছরের মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানে সু চি’র সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে মায়ের হৃদযন্ত্র, হাড় আর মাড়ির সমস্যা নিয়ে পরোক্ষভাবে কেবল বিক্ষিপ্ত কিছু তথ্য পেয়েছেন বলে জানান অ্যারিস।
মিয়ানমারে ২৮ ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে নির্বাচন শুরু হবে। ২০২০ সালের পর এটিই দেশটিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন। জান্তা সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, অ্যারিস যা বলছেন তা অতিরঞ্জিত। দেশে অনুষ্ঠেয় অবাধ ও সুস্থু বহুদলীয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে বিঘ্নিত করতে তিনি এই সময়টিকে বেছে নিয়েছেন।
সু চি ২০১৫ সালের নির্বাচনে কার্যত মিয়ানমারের নেত্রী হয়েছিলেন, যদিও পরবর্তীতে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে তার আন্তর্জাতিক খ্যাতি ক্ষুণ্ণ হয়। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার অস্থিতিশীল। সু চি ২৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত। তার বিরুদ্ধে উদ্দীপনা সৃষ্টি, দুর্নীতি ও নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ আছে, যা তিনি অস্বীকার করেছেন.
মিয়ানমার জান্তা সরকারের এই বিবৃতির বিষয়ে সু চির ছেলে কিম অ্যারিসের মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাওয়া যায়নি। এর আগে অ্যারিস জাপানে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আমি গত কয়েক বছর ধরে আমার ৮০ বছরের মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি।
মিয়ানমারের জান্তা সরকার পরিচালিত ডিজিটাল নিউজ পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অং সান সু চির স্বাস্থ্য ভাল আছে। তবে তার শারিরিক অবস্থা নিয়ে এর চেয়ে বেশি আর কিছু বলা হয়নি বিবৃতিতে। এমনকি সুচির স্বাস্থ্য ভাল থাকার কোনও প্রমাণও জান্তা সরকার দেয়নি.
মিয়ানমারে ২৮ ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে নির্বাচন শুরু হবে। ২০২০ সালের পর এটিই দেশটিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন। জান্তা সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, অ্যারিস যা বলছেন তা অতিরঞ্জিত। দেশে অনুষ্ঠেয় অবাধ ও সুস্থু বহুদলীয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে বিঘ্নিত করতে তিনি এই সময়টিকে বেছে নিয়েছেন।
সু চি ২০১৫ সালের নির্বাচনে কার্যত মিয়ানমারের নেত্রী হয়েছিলেন, যদিও পরবর্তীতে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে তার আন্তর্জাতিক খ্যাতি ক্ষুণ্ণ হয়। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার অস্থিতিশীল। সু চি ২৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত। তার বিরুদ্ধে উদ্দীপনা সৃষ্টি, দুর্নীতি ও নির্বাচনে



