আমাজন তার ইউরোপীয় সদর দপ্তরে ৩৭০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করছে। এটি লুক্সেমবার্গে অবস্থিত তাদের সদর দপ্তরের মোট কর্মীর ৮.৫ শতাংশ। প্রাথমিকভাবে, আমাজন ৪৭০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি কর্মীদের প্রতিনিধি এবং কিছু ক্ষেত্রে সরকারের সাথে ছাঁটাই নিয়ে আলোচনা করতে হয়।
আমাজন তার কর্মীদেরকে জানিয়েছে যে এই ছাঁটাই হলো ব্যবসায়িক প্রয়োজন এবং স্থানীয় কৌশলের প্রতিফলন। কোম্পানিটি দাবি করেছে যে তারা লুক্সেমবার্গে ছাঁটাই করা কর্মীদের জন্য শিল্পের মানদণ্ডের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করছে।
ছাঁটাইয়ের পরেও, আমাজন লুক্সেমবার্গের পঞ্চম বৃহত্তম নিয়োগকর্তা হিসেবে থাকবে। এই দেশের জনসংখ্যা ৬৮০,০০০। একজন কর্মী বলেছেন যে এই ছাঁটাইয়ের ফলে সফটওয়্যার ডেভেলপাররা প্রভাবিত হবে, কারণ প্রযুক্তি শিল্পে কোডিংয়ের কাজে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে বেশি করে ব্যবহার করা হচ্ছে।
আমাজন ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে তারা বিশ্বব্যাপী ১৪,০০০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করবে, কারণ তারা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে বেশি করে ব্যবহার করছে। এটি আমেরিকায় প্রায় পাঁচ লাখ চাকরির ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।
এই ছাঁটাইয়ের ফলে লুক্সেমবার্গের চাকরির বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে। কর্মীরা যারা অন্য দেশ থেকে আমাজনে কাজ করতে এসেছে, তাদের তিন মাসের মধ্যে অন্য কোনো চাকরি না পেলে দেশ ছাড়তে হবে।
আমাজনের এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তি শিল্পে চাকরির বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। কোম্পানিটি তার কর্মীদের জন্য যে সুবিধা প্রদান করছে, তা শিল্পের মানদণ্ডের চেয়ে অনেক বেশি।
তবে, এই ছাঁটাইয়ের ফলে কর্মীদের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। তাদের ভবিষ্যত কী হবে, তা নিয়ে উদ্বেগ থাকবে। কোম্পানিটি তার কর্মীদের জন্য যে সুবিধা প্রদান করছে, তা তাদের ভবিষ্যতের জন্য কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা দেখা যাবে।



