মোহাম্মদপুরে ঘটে যাওয়া দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, এই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি আসলে একটি অন্য বাড়ি থেকে চুরি করা হয়েছিল।
মোহাম্মদপুর থানার একজন তদন্তকারী জানিয়েছেন যে, আয়েশা নামের একজন গৃহকর্মী এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত। তিনি একটি পেশাদার চোর হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি অন্তত চারটি বাড়ি থেকে চুরি করেছেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল ৯ই ডিসেম্বর। আয়েশা তার নিয়োগকর্তা লাইলা আফরোজ এবং তার ১৫ বছর বয়সী কন্যা নাফিসা নাওয়াল বিনতে আজিজকে ছুরি দিয়ে খুন করেছিলেন। তিনি দুটি ছুরি ব্যবহার করেছিলেন – একটি চুরি করা ছুরি এবং অন্যটি তার নিয়োগকর্তার রান্নাঘর থেকে নেওয়া।
পুলিশ আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাকে ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, আয়েশা তার অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তিনি একটি ল্যাপটপ বিক্রি করেছেন একজন লোককে জুরাইনে।
পুলিশ এখন সেই লোকটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, আয়েশা তাদের বলেছেন যে, তিনি ২০১৭ সালে একটি পারিবারিক বিরোধের পর নিজের উপর আগুন ধরিয়েছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে যে, তারা শীঘ্রই সত্য উদঘাটন করতে সক্ষম হবেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি মোহাম্মদপুরের একটি বাড়িতে ঘটেছিল। পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার নিয়োগকর্তার সাথে একটি বিরোধের পর এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে যে, তারা শীঘ্রই সত্য উদঘাটন করতে সক্ষম হবেন।
পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তিনি একটি ল্যাপটপ বিক্রি করেছেন একজন লোককে জুরাইনে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি মোহাম্মদপুরের একটি বাড়িতে ঘটেছিল। পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার নিয়োগকর্তার সাথে একটি বিরোধের পর এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে যে, তারা শীঘ্রই সত্য উদঘাটন করতে সক্ষম হবেন।
পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তিনি একটি ল্যাপটপ বিক্রি করেছেন একজন লোককে জুরাইনে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি মোহাম্মদপুরের একটি বাড়িতে ঘটেছিল। পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার নিয়োগকর্তার সাথে একটি বিরোধের পর এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে যে, তারা শীঘ্রই সত্য উদঘাটন করতে সক্ষম হবেন।
পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তিনি একটি ল্যাপটপ বিক্রি করেছেন একজন লোককে জুরাইনে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি মোহাম্মদপুরের একটি বাড়িতে ঘটেছিল। পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার নিয়োগকর্তার সাথে একটি বিরোধের পর এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে যে, তারা শীঘ্রই সত্য উদঘাটন করতে সক্ষম হবেন।
পুলিশ জানিয়েছে যে, আয়েশা তার অপরাধ স্বীক



