গত মঙ্গলবার মহান বিজয় দিবসে ঢাকার গুলশান-২ এলাকায় ফেলানী এভিনিউ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই সড়কটি গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত বিস্তৃত। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ফেলানী এভিনিউ উদ্বোধনের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ফেলানীর হত্যাকাণ্ড মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে চায়।
এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম ও ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নামফলক উন্মোচন শেষে দোয়া পরিচালনা করেন ডিএনসিসি মসজিদের ইমাম মাওলানা আনসার উল করিম।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেছেন, ফেলানী হত্যাকাণ্ড নিছক একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি একটি সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। তিনি বলেছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ফেলানী এভিনিউ উদ্বোধনের মাধ্যমে সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধের জন্য সকলকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ফেলানী এভিনিউ উদ্বোধনের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধের জন্য সকলকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ফেলানী এভিনিউ উদ্বোধনের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধের জন্য সকলকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।



