জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, জুলাই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, পরাজিত শক্তি দেশের ভেতরে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করার জন্য এ ধরনের গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, পরাজিত শক্তি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করার জন্য এ ধরনের গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, আরও অনেককে গুপ্তহত্যার হুমকি দিচ্ছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা হিসেবে তিনি জানেন, এ ধরনের গুপ্তহত্যা কারা করে। তিনি বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এভাবে আমাদের মেধাহীন করার ষড়যন্ত্র করেছিল। ঠিক একইভাবে পরাজিত হওয়ার পর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগও আমাদের নেতৃত্বহীন করার জন্য এ ধরনের একটা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ আছে, এই ঐক্যের মাধ্যমে আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব। তিনি বলেন, সামনের দিনে আর এ ধরনের কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি আমাদের কোনো ভয় দেখাতে পারবে না।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, আজকের এই দিনটিকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য এবং স্মরণ করার জন্য ঢাকা-১০ আসনের জনগণের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছি। তিনি বলেন, কিছু দিন আগে আমাদের একজন সহযোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়, তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ছেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি, দ্রুত তিনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। তিনি বলেন, আমরা এটাও প্রত্যাশা করি, আগামীতে কোনো বিজয় দিবস আমাদের কোনো সহযোদ্ধার কষ্ট নিয়ে পালন করতে হবে না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, আমার মনে হয় সরকারের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আরও তৎপর হওয়া উচিত। তিনি বলেন, আমরা চাই, সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে।



