চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগে মুজিব বাহিনী এলাকায় এলাকায় গণহত্যা চালিয়েছিল। তার দাবি, এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ ক্র্যাকডাউন চালায়।
চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অসংখ্য মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ওয়াদা দিয়েছিল ইসলামের আলোকে, বৈষম্যহীন, ইনসাফপূর্ণ, গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন করবে। কিন্তু তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও তার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি। পাকিস্তানি গোষ্ঠী গড়িমসি করতে করতে শেষ পর্যন্ত ২৫ মার্চে আমাদের যুদ্ধে লিপ্ত হতে হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনীর কমান্ডার ও গবেষক মাহফুজুর রহমান জানান, জামায়াতের এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার মতে, মুজিব বাহিনী গঠিত হয়েছিল ১৯৭১ সালে।
জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করে শেখ মুজিবুর রহমান জেলখানায় আরামে দিন কাটিয়েছেন। সেই ইতিহাস আমাদের উদ্ধার করতে হবে।
রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এগিয়ে এসেছিলেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ৬ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় সেনাবাহিনী এক সপ্তাহ যুদ্ধ করে আমাদের বিজয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ঢাকাসহ প্রধান সড়কগুলো দখলে নেয়। এরপর ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরিকল্পনায় ১৪ ডিসেম্বর আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
এই ঘটনাগুলো আমাদের ইতিহাসের অংশ। আমাদের উচিত এই ইতিহাসগুলো সঠিকভাবে জানা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
জামায়াতের আমিরের এই বক্তব্য আমাদের ইতিহাসের একটি অংশকে স্মরণ করিয়ে দেয়। আমাদের উচিত এই ইতিহাসগুলো সঠিকভাবে জানা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
এই বিষয়ে আরও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমাদের ইতিহাস আমাদের পরিচয়। আমাদের উচিত এই ইতিহাসগুলো সঠিকভাবে জানা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
এই ঘটনাগুলো আমাদের ইতিহাসের অংশ। আমাদের উচিত এই ইতিহাসগুলো সঠিকভাবে জানা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
জামায়াতের আমিরের এই বক্তব্য আমাদের ইতিহাসের একটি অংশকে স্মরণ করিয়ে দেয়। আমাদের উচিত এই ইতিহাসগুলো সঠিকভাবে জানা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
এই বিষয়ে আরও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমাদের ইতিহাস আমাদের পরিচয়। আমাদের উচিত এই ইতিহাসগুলো সঠিকভাবে জানা এবং তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
জামায়াতের আমিরের এই বক্তব্য আমাদের ইতিহাসের একটি অংশকে স্মর



