পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস পদত্যাগ করেছেন। এটি ঘটেছে আর্জেন্টাইন সুপার স্টার লিওনেল মেসির ভারতের কলকাতা সফরের পর। সেখানে চরম বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী মঙ্গলবার বিকেলে অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। এর আগে দুপুরে রাজ্য পুলিশের প্রধানসহ তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সরকার।
এ ঘটনায় এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং আরেক প্রশাসনিক কর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সেদিন যে ভূমিকা ছিল, তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছিল গত চারদিন ধরেই।
তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ মঙ্গলবার দুপুরে একটি হাতে লেখা চিঠি প্রকাশ করেন সামাজিক মাধ্যমে, যেটিকে অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগ পত্র বলে তিনি দাবি করেছিলেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে উদ্দেশ্য করে হাতে লেখা ওই চিঠিতে কোনো সই ছিল না।
অরূপ বিশ্বাস ক্রীড়া দফতরের সঙ্গেই রাজ্যের বিদ্যুৎ দফতরেরও মন্ত্রী। ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খলা সামলাতে না পারার অভিযোগ যেমন উঠছিল, তেমনই তার বিরুদ্ধে বলা হচ্ছিল যে লিওনেল মেসিরা যতক্ষণ মাঠে ছিলেন, ততক্ষণ তার প্রায় গা ঘেঁষেই ছিলেন তিনি।
তবে মেসি মাঠ ছাড়ার কিছুক্ষণ পরেই অরূপ বিশ্বাসও মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ততক্ষণে অবশ্য গ্যালারি থেকে দর্শকদের পক্ষে থেকে পানির বোতল ছোঁড়া, চেয়ার ভাঙা শুরু হয়ে গিয়েছিল।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই আগ্রহী। কারণ, এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগের ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ মনে করছেন যে এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করবে। অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করছেন যে এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে না।
এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলো কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিয়েও অনেকে আগ্রহী। কারণ, এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
অবশেষে, অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগের ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে। কারণ, এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে।



