নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যক্তিকে চুরির অভিযোগে জনতা হাতে নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম ফখরুল ইসলাম মান্জু ওরফে বলি, বয়স ২৫ বছর। তিনি চৌমুহনী পৌরসভার খালাসিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বলির অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য স্থানীয় জনগণ তার প্রতি রাগান্বিত ছিল। এই রাগের ফলেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এম এ বারী নিশ্চিত করেছেন, বলি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন এবং তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, বলির সহযোগী কিরণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানিয়েছে, এক ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান সকাল ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে তার বাড়ি থেকে চৌমুহনী বাজারে যাচ্ছিলেন। তার কাছে ২০ লাখ টাকা ছিল। বলি ও তার সহযোগী কিরণ তাকে অপহরণ করে তাদের আড্ডায় নিয়ে যায় এবং মারধর করে। মিজানুরের চিৎকার শুনে স্থানীয় জনগণ ছুটে আসে এবং বলিকে বের করে এনে মারধর করে হত্যা করে।
মিজানুরের বাবা আব্দুল মোতালেব জানিয়েছেন, বলি ও কিরণ তার ছেলেকে জবরদস্তি করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বলির পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, তাকে পূর্বের এক বিরোধের জন্য হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বলির পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, বলি তার বড় বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে এক টিনএজ গ্যাং তাকে আক্রমণ করেছে, যাদের সাথে তার পূর্বে বিরোধ ছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। তারা এই ধরনের ঘটনা আর ঘটতে না দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনার তদন্ত করছেন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছেন।
এই ঘটনাটি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় সংঘটিত হয়েছে। এই উপজেলাটি নোয়াখালী জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও অন্যান্য স্থাপনা রয়েছে। এই এলাকায় বহু মানুষ বসবাস করেন। তাই এই ঘটনাটি এই এলাকার জনগণের জন্য এক ধরনের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনার তদন্ত করছেন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছেন। তারা এই ঘটনাটি সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করছেন এবং প্রয়োজনে সাক্ষ্য গ্রহণ করছেন। এই ঘটনাটি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেলে তা জনসাধারণের সাথে ভাগ করা হবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। তারা এই ধরনের ঘটনা আর ঘটতে না দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা চাইছেন কর্তৃপক্ষ এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। তারা আরও চাইছেন যাতে এই ঘটনার দোষীরা আইনের আওতায় আনা হয় এবং তাদের শাস্তি দেওয়া হয়।



