নাইজেরিয়ার কেন্দ্রীয় কোগি রাজ্যের একটি গির্জায় অস্ত্রধারীরা কমপক্ষে ১৩ জনকে অপহরণ করেছে। এটি দুই সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার এই ধরনের আক্রমণ।
অপহরণকারীরা রবিবার সকালে ইভাঞ্জেলিকাল চার্চ উইনিং অল-এ হামলা চালিয়েছে। এই গির্জাটি মূলত কৃষি এলাকায় অবস্থিত। অপহরণকারীরা গুলি চালানোর পর কয়েকজন উপস্থিতকে অপহরণ করেছে।
কোগি রাজ্যের তথ্য কমিশনার কিংলে ফ্যানও জানিয়েছেন, পাঁচজন অপহরণকারী নিহত হয়েছে। তবে কয়েকজন অপহরণকারী আহত হয়েও পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ অপহরণকারীদের ‘ব্যান্ডিট’ বলে অভিহিত করেছে। এই শব্দটি স্থানীয়ভাবে অপরাধী গোষ্ঠীকে বোঝায় যারা মূলত ফিদিয়াসির জন্য লোককে অপহরণ করে।
দুই সপ্তাহ আগে, নিকটবর্তী ইজিবা শহরের একটি গির্জায় অস্ত্রধারীরা হামলা চালিয়েছিল। সেখানে একজন পাদরী, তার স্ত্রী এবং কয়েকজন গির্জার সদস্যকে অপহরণ করা হয়েছিল। তারা এখনও অপহরণকারীদের হাতে আটক।
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিম ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলে সম্প্রতি অপরাধী গোষ্ঠীর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হামলায় বহু লোক অপহরণ হয়েছে, গ্রামে হামলা হয়েছে এবং উপাসনালয়ে হামলা হয়েছে।
নাইজেরিয়ার সরকার দাবি করেছে যে জিহাদি গোষ্ঠী বোকো হারাম এবং ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রদেশ এই হামলার জন্য দায়ী। তবে বিশ্লেষকরা এই দাবির সাথে একমত নন।
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু নিরাপত্তা প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে তারা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপহরণ রোধে অভিযান চালায়। তিনি আরও সৈন্য ও পুলিশ মোতায়েন করার অনুমোদন দিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স কয়েকটি অপরাধী গোষ্ঠীকে ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে।
নাইজেরিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। সরকারকে অবশ্যই এই অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই অপহরণের ঘটনায় নাইজেরিয়ার জনগণ আতঙ্কিত। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে।
নাইজেরিয়ার সরকারকে অবশ্যই এই অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের অপহরণকারীদের ধরতে হবে এবং তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
নাইজেরিয়ার জনগণ সরকারের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে। তারা চায় সরকার এই অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয় এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
নাইজেরিয়ায় অপহরণের ঘটনা বাড়ছে। সরকারকে অবশ্যই এই অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের অপহরণকারীদের ধরতে হবে এবং তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
নাইজেরিয়ার জনগণ সরকারের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে। তারা চায় সরকার এই অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয় এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
নাইজেরিয়ায় অপহরণের ঘটনা বাড়ছে। সরকারকে অবশ্যই এই অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।



