ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজয় দিবসের মর্যাদা হ্রাস করার অভিযোগে নরেন্দ্র মোদির প্রতিকৃতি পোড়ায়। এই বিক্ষোভ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন নারা দেয় এবং প্রতীকী প্রতিবাদ করে।
বিক্ষোভের আয়োজক রিয়াদ জুবাহা অভিযোগ করেন যে নরেন্দ্র মোদি ভারতে সংখ্যালঘুদের দমনে জড়িত। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে মোদির সমর্থকরা বাংলাদেশে জনমতকে উপেক্ষা করে তার উপস্থিতি সহজতর করেছেন। রিয়াদ জুবাহা ভারতকে বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী করেন।
একই দিনে অন্য একদল শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ভবনের সামনে গুলাম আজমের ছবিতে জুতা ছুড়ে দেয়। তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের বিরুদ্ধে নারা দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিশাম আনোয়ার বলেন, গুলাম আজম এবং তার সমর্থকরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন। তারা এখন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করছেন।
এই বিক্ষোভগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এগুলো দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিক্ষোভগুলো বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ইতিহাসকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিক্ষোভগুলো এই ইতিহাসকে সংরক্ষণ করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। এই পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিক্ষোভগুলো এই আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে। এগুলো দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ইতিহাসকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিক্ষোভগুলো এই ইতিহাসকে সংরক্ষণ করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এগুলো দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। এই পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিক্ষোভগুলো এই আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে। এগুলো দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিক্ষোভগুলো দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



