মহান বিজয় দিবসের দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন যে ফ্যাসিস্ট-ডেভিলদের অপচেষ্টা সফল হবে না।
তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চান যে যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না.
প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে শরীফ ওসমান হাদি বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরই মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চান যে যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না.
বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতার প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ একযোগে সম্প্রচার করছে। অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশনও প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ সম্প্রচার করছে.
এই ঘটনার পর দেশব্যাপী ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের বিবৃতি দিয়েছে.
এই ঘটনার পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে। সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে.
এই ঘটনার পর দেশের জনগণ আরও সচেতন হয়ে উঠেছে। তারা এই ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন করছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলো আরও একজোট হয়ে উঠেছে। তারা এই ঘটনার প্রতিবাদে একসাথে আন্দোলন করছে.
এই ঘটনার পর দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে। সরকার এই ঘটনার প্রভাব কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে.
এই ঘটনার পর দেশের সামাজিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। সরকার এই ঘটনার প্রভাব কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে.
এই ঘটনার পর দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকার এই ঘটনার প্রভাব কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে.
এই ঘটনার পর দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। সরকার এই ঘটনার প্রভাব কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে.
এই ঘটনার পর দেশের জনগণ আরও সচেতন হয়ে উঠেছে। তারা এই ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন করছে.
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলো আর



