বিজয় দিবসের প্রাক্কালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি দেয়ালে সুবোধ সিরিজের একটি নতুন গ্রাফিতি আবির্ভূত হয়েছে। এই গ্রাফিতির সময় ও স্থান কোনো দুর্ঘটনা নয়। বাংলাদেশ তার কঠিন অর্জিত স্বাধীনতা উদযাপন করছে, আর সুবোধের প্রত্যাবর্তন অতীত ও বর্তমানের মধ্যে একটি অসমাপ্ত আলোচনার পুনরুজ্জীবন ঘটিয়েছে।
আগারগাঁওয়ে সুবোধের এই প্রত্যাবর্তন তার উৎপত্তির সাথে একটি সম্পূর্ণ বৃত্ত অঙ্কন করে। সুবোধ শেষবার দেখা গিয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশনে। এই নতুন গ্রাফিতিতে, সুবোধ একজন শিল্পী সৈনিক। তার অস্ত্র কোনো রাইফল নয়, বরং একটি রঙের বুরুশ ও স্প্রে ক্যানের বান্ডিল। তিনি একটি ছোট মেয়ের সামনে হাটু গেড়ে বসেছেন, যে মেয়েটি বাংলাদেশের পতাকা ধরে আছে। সুবোধ মেয়েটির কপালে চুমু দিচ্ছেন, যা সুরক্ষা ও আশার একটি স্নেহপূর্ণ অভিব্যক্তি।
এই চিত্রটি সৈনিকের পরিচিত প্রতীককে গভীরভাবে মানবিক করে তুলেছে – একজন শিল্পী, একজন রক্ষক, একজন সাক্ষী। এটি সুবোধ সিরিজের একটি পুনরাবৃত্ত বিষয়কে শক্তিশালী করে – সহিংসতার পরিবর্তে সৃজনশীলতা, যত্ন ও সহানুভূতির মাধ্যমে প্রতিরোধ।
বিজয় দিবসের এই দিনে, জাতি তার অর্জিত স্বাধীনতার মূল্য স্মরণ করছে এবং এটি কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে চিন্তা করছে। সুবোধের এই নতুন গ্রাফিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করে, যা আমাদের সকলকে আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির মূল্য স্মরণ করতে উদ্বুদ্ধ করে।
সুবোধ সিরিজের এই নতুন গ্রাফিতি আমাদের সমাজের বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। এটি আমাদেরকে আমাদের অতীত ও বর্তমানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে উদ্বুদ্ধ করে, আর আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য সংগ্রাম করা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উদ্বুদ্ধ করে।
সুবোধের এই নতুন গ্রাফিতি আমাদেরকে আমাদের সমাজের সমস্যাগুলির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য অনুপ্রাণিত করে। এটি আমাদেরকে আমাদের সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে, আর আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির মূল্য স্মরণ করে রাখতে উদ্বুদ্ধ করে।
বিজয় দিবসের এই দিনে, আমরা সকলেই সুবোধের এই নতুন গ্রাফিতির বার্তা গ্রহণ করি এবং আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির মূল্য স্মরণ করি। আমরা সকলেই আমাদের সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করি এবং আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য সংগ্রাম করা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।



