28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবসের সভা বয়কট

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবসের সভা বয়কট

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা বয়কট করেছে শাখা ছাত্রদল। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকারী উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) উপস্থিতি থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জারুলতলায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের উপস্থিতির কারণে ছাত্রদল সভা বয়কট করে।

ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সভা বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ‘২৫-এর শামীম খান, ৭১-এর টিকা খান’, ‘রাজাকারের ঠিকানা, ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘জাকাত লাগলে জাকাত নে, তবুও দায়িত্ব ছাইড়া দে’, ‘দালাল দালাল, ভুয়া ভুয়া’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা স্মৃতি ম্যুরালে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে একটি বিজয় মিছিল অগ্রণী ব্যাংক, প্রশাসনিক ভবন ও কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ (পুরাতন) প্রদক্ষিণ করে জারুলতলায় আলোচনা সভাস্থলে গিয়ে শেষ হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ১৯৭১-এ বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যের জন্য তিনি ক্ষমা চাননি, পদত্যাগও করেননি। আজ আবার বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় উপস্থিত হয়েছেন। আমরা তাই সভা বয়কট করলাম।’

চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক বলেন, ‘আজ সব জায়গায় বিজয় দিবসের আনন্দ উদযাপিত হলেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে। কারণ আমাদের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা নিয়ে উপ-উপাচার্য যে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন, তার জন্য তিনি ক্ষমা চাননি, অনুতপ্তও হননি। তিনি এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চলে এসেছেন। তাই আমি ও বিভিন্ন হল সংসদে নির্বাচিত জাতীয়তাবাদী ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের প্রতিনিধিরা আলোচনা সভা বর্জন করেছি।’

এজিএস তৌফিক বলেন, ‘আমরা যখন চাকসুর শপথ নিয়েছি তখন মহান মুক্তিযুদ্ধ, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার শপথ করেছি। কিন্তু উপ-উপাচার্যের বক্তব্য মহান মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননা করা হয়েছে। তাঁর এই পদে থাকার কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই।’

এই ঘটনার পর ছাত্রদল ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় ছাত্রদলের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় ছাত্রদলের এই পদক্ষেপ সঠিক ছিল? আপনার মতামত আমাদের জানান।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments