বিজয় দিবসের দিনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা আলাদাভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা মধুর ক্যান্টিন এলাকায় বিকেল ১টা ৩০ মিনিটের দিকে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও দন্ডিত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমের ছবিতে জুতা ছুড়ে মারে। বিক্ষোভকারীরা বলেছে, এই অনুষ্ঠানটি রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের নিন্দা জানাতে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনর্জাগরণ করার জন্য করা হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে ক্যাম্পাসের মূর্তি চত্বরে একটি অনুষ্ঠান করে। তারা পাকিস্তানি পতাকার প্রতীকী ছবিতে জুতা ছুড়ে মারে এবং পাকিস্তান ও রাজাকারবিরোধী স্লোগান দেয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের একজন ছাত্র বলেছে, ছাত্রছাত্রীরা পাকিস্তানি পতাকা আঁকা ও পা দিয়ে পিষে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের বাধা দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে এই অনুষ্ঠানটি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খানের ছবি আঁকে। এই ছবিগুলো গতদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আঁকা হয়েছিল একটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে, যেখানে অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছিল তার বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য।
এই বিক্ষোভগুলো দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। ছাত্রছাত্রীরা রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনর্জাগরণ করার জন্য কাজ করছে। এই বিক্ষোভগুলো দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিজয় দিবসের এই বিক্ষোভগুলো দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্রছাত্রীরা তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়াই করছে এবং দেশের ভবিষ্যত গঠনে তাদের ভূমিকা পালন করছে। এই বিক্ষোভগুলো দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন পথ তৈরি করতে পারে।
বিজয় দিবসের এই বিক্ষোভগুলো দেশের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে একটি নতুন চেতনা জাগিয়ে তুলবে। তারা তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়াই করবে এবং দেশের ভবিষ্যত গঠনে তাদের ভূমিকা পালন করবে। এই বিক্ষোভগুলো দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন পথ তৈরি করবে।
বিজয় দিবসের এই বিক্ষোভগুলো দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্রছাত্রীরা তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়াই করছে এবং দ



