বিজয় দিবসের উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে ফ্লাই পাস্ট, প্যারাজাম্প ও বিশেষ অ্যারোবেটিক প্রদর্শনী করেছে। এই অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বিডা চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিকুর রহমানসহ ৫৩ জন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করেন।
এই অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি পতাকা হাতে প্যারাট্রুপিংয়ের বিশ্ব রেকর্ডের জন্য এই তথ্য গিনেস বুক ওয়ার্ল্ডে পাঠানো হবে। সশস্ত্র বাহিনী অনুষ্ঠানে একটি সমন্বিত ব্যান্ড পরিবেশনাও আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, স্বাধীনতা যুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শনার্থী ছিলেন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল বাদ্য পরিবেশন করে। আর ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলায় সেনানিবাস, ঘাঁটি সংলগ্ন এলাকায় সীমিত আকারে ব্যান্ড পরিবেশন করা হয়। এদিন বিমান বাহিনী খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, নাটোর, বগুড়া, চট্টগ্রাম শহর ও ফৌজদারহাট এলাকা, কক্সবাজার এবং মাতারবাড়ী এলাকায় সীমিত আকারে ফ্লাই পাস্ট পরিচালনা করে।
দিবসটি উদযাপনে চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা ও পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জের পাগলা, বরিশালসহ বিআইডব্লিউটিসি ঘাটে নৌবাহিনীর নির্ধারিত জাহাজ দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। এদিন সামরিক জাদুঘরসহ বাহিনীগুলোর অন্যান্য জাদুঘর বিনা টিকেটে দেখার জন্য খোলা রাখা হয়।
বিজয় দিবস উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর এই অনুষ্ঠানগুলো দেশব্যাপী জনগণের মধ্যে উদ্দীপনা ও উৎসাহের সঞ্চার করে। এই অনুষ্ঠানগুলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাহায্য করে। সশস্ত্র বাহিনীর এই প্রচেষ্টাগুলো দেশের সকল শ্রেণির মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সংহতির সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে।



