বিশ্বব্যাপী বর্তমান অস্থিতিশীলতা মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে। সুদান ও ফিলিস্তিন এই সংকটের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক রেসকিউ কমিটির (আইআরসি) ২০২৬ সালের জরুরি পর্যবেক্ষণ তালিকায় এই দুটি দেশ প্রথম স্থানে রয়েছে।
এই তালিকায় বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটের তালিকা করা হয়েছে। এই তালিকায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, হাইতি, মিয়ানমার ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র অন্যতম। এই দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১২%। কিন্তু এই দেশগুলোতেই বিশ্বের ৮৯% মানবিক সহায়তার প্রয়োজন।
বিশ্বে বর্তমানে ১১৭ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ৪০ মিলিয়ন মানুষ খাদ্যাভাবের শিকার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য তহবিলের অভাব রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এই বছর মানবিক সহায়তার জন্য তহবিল ৫০% কমে গেছে।
সুদানে বর্তমানে একটি গৃহযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে অনেক মানুষ মারা গেছে। ফিলিস্তিনেও ইসরায়েলের সাথে সংঘর্ষ চলছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই এই দুটি দেশের সংঘর্ষ নিষ্পত্তির ব্যাপারে বাধা দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক রেসকিউ কমিটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড মিলিব্যান্ড বলেছেন, বিশ্বে বর্তমানে একটি নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থায় বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো তাদের স্বার্থের জন্য অন্য দেশগুলোর সাথে লড়াই করছে। এই পরিস্থিতিতে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই পরিস্থিতির সমাধান করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য তহবিল বাড়াতে হবে। সুদান ও ফিলিস্তিনের সংঘর্ষ নিষ্পত্তির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে।
আন্তর্জাতিক রেসকিউ কমিটির প্রতিবেদন থেকে এটা স্পষ্ট যে বিশ্বে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। এই পরিস্থিতির সমাধান করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে। মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য তহবিল বাড়াতে হবে। সুদান ও ফিলিস্তিনের সংঘর্ষ নিষ্পত্তির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে।
আন্তর্জাতিক রেসকিউ কমিটির প্রতিবেদন থেকে এটা স্পষ্ট যে বিশ্বে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। এই পরিস্থিতির সমাধান করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে। মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য তহবিল বাড়াতে হবে। সুদান ও ফিলিস্তিনের সংঘর্ষ নিষ্পত্তির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে।
আন্তর্জাতিক রেসকিউ কমিটির প্রতিবেদন থেকে এটা স্পষ্ট যে বিশ্বে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। এই পরিস্থিতির সমাধান করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে। মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য তহবিল বাড়াতে হবে। সুদান ও ফিলিস্তিনের সংঘর্ষ নিষ্পত্তির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে।



