পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নতুন নীতি এখানকার বাস্তবতা ও সীমানা পরিবর্তন করছে। ইসরায়েল সরকার পশ্চিম তীরে ১৯টি বসতি উপনিবেশ স্বাধীন বসতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি এই বছরের মধ্যে তৃতীয়বার সরকার এই ধরনের স্বীকৃতি দিয়েছে, যা বসতি সম্প্রসারণ ও সংযুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়।
এই বসতি উপনিবেশগুলো আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে বেআইনি, যা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কয়েকজন বসতি স্থাপনকারী দ্বারা স্থাপিত হয়। এর মানে এই স্থানগুলোতে বসতি স্থাপনকারীরা সরকারি সুরক্ষা ভোগ করে না, তা নয়। ইসরায়েলের মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে যে এই বসতি উপনিবেশগুলোতে বসতি স্থাপনকারীরা ইসরায়েলি সেনাবাহিনী থেকে সুরক্ষা, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য সেবা পাচ্ছে। এই স্বীকৃতি আরও সরকারি তহবিল, অবকাঠামো এবং সম্প্রসারণের দিকে পরিচালিত করছে।
পশ্চিম তীরের উত্তরপূর্ব অংশে এই বসতি উপনিবেশগুলোর অধিকাংশই কেন্দ্রীভূত, যা ঐতিহাসিকভাবে খুব কম বসতি কার্যকলাপ দেখেছে। এছাড়াও এই সিদ্ধান্তে দুটি বসতি উপনিবেশের স্বীকৃতি রয়েছে যা ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল শারোনের সরকার খালি করেছিল।
এই সরকারি সিদ্ধান্তগুলো মনে হতে পারে ব্যুরোক্র্যাটিক, কিন্তু আসলে তারা কৌশলগত। তারা আরও মতাদর্শগত এবং প্রায়শই সহিংস বসতি স্থাপনকারীদের সমর্থন করছে, যারা তাদের উপস্থিতি শক্তিশালী করছে এবং আরও ফিলিস্তিনি ভূমি দখল করছে। তারা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করছে, যা অভূতপূর্ব পরিমাণে এবং প্রভাবে।
ইসরায়েলের মানবাধিকার সংগঠন বি’টসেলেম অনুমান করে যে গত দুই বছরে বসতি স্থাপনকারীদের আক্রমণে ৪৪টি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়কে বলপ্রয়োগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনাগুলো…
ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের উপর এই সংঘাতের প্রভাব গুরুতর। তারা তাদের জীবিকা, ঘরবাড়ি এবং ভবিষ্যতের জন্য উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতি শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা হ্রাস করছে।
এই সংঘর্ষের ভবিষ্যৎ প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ রয়েছে। এটি এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই সংঘাত সমাধানে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।
এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এই সংঘর্ষ শেষ করতে এবং ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি উভয়ের জন্য একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।



