নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চরকামালদী গ্রামে জাতীয় পার্টির নেতা মো. ওয়াজকুরুনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াজকুরুনী দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দল পরিবর্তনের মাধ্যমে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওয়াজকুরুনী বিএনপির নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, লুটপাট, নারী কেলেঙ্কারি ও মাদক কারবারসহ নানা অপকর্মে জড়িত। তিনি স্থানীয় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের প্রকাশ্যে আশ্রয় দিয়ে মাসিক চাঁদা আদায় করছেন, যার ফলে এলাকায় মাদক ব্যবসা বেড়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওয়াজকুরুনী ও তার সহযোগীরা রাতের বেলায় বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং নারীদের কু-প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। সম্প্রতি অটোরিকশা চুরির ঘটনায় তাকে জড়ানোর অভিযোগ উঠলেও স্থানীয় ছাত্রদলের এক নিরীহ নেতাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, দলীয় নাম ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে তা দলের জন্য লজ্জাজনক এবং তদন্তসাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তালতলা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সেলিম হোসেন জানান, অটোরিকশা চুরির মামলায় অভিযুক্ত নাঈম ১৬৪ ধারায় ওয়াজকুরুনীর বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে না পাওয়ায় তাকে এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন যে ওয়াজকুরুনীর কর্মকাণ্ড এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। তারা আশা করছেন যে কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং ওয়াজকুরুনীকে আইনের আওতায় আনবে।
এদিকে, ওয়াজকুরুনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত চলছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে যে তদন্ত শেষে ওয়াজকুরুনীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকাবাসী আশা করছেন যে ওয়াজকুরুনীর কর্মকাণ্ড শেষ হবে এবং এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে।



