ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টির কনভেনার নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকার বা পুলিশের উপর নির্ভর করে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তিনি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আত্মনির্ভরশীলতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
নাহিদ ইসলাম সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সংস্কারের একটি গণভোট হিসেবে দেখা উচিত।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, তার দলের সাংসদ প্রার্থীরা সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বার্তা নিয়ে জনগণের দ্বারে দ্বারে যাবেন। তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশকে সংস্কারের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এবং দেশকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনবেন না।
নাহিদ ইসলাম বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানানোর পর বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়। তিনি বলেন, এই দেশের মানুষ বহু বছর ধরে স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য লড়াই করেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যুবক, সাধারণ মানুষ এবং কৃষকরা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পরও বাংলাদেশের মানুষ বারবার প্রতারিত হয়েছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। সমতা, মানবিক মর্যাদা বা সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলন ও বিপ্লব এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, তার দল নিজেদেরকে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাঙালি জনগণের ঐতিহাসিক সংগ্রামের উত্তরাধিকারী হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, তারা এই সংগ্রামকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, পতনশীল ও স্বৈরাচারী শক্তিগুলো দেশকে অস্থিতিশীল করার এবং নির্বাচনকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।



