গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন সরকারের সংস্কারের প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ১৬ মাসের মধ্যে সরকারের অযোগ্যতা, অদক্ষতা এবং উপদেষ্টাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে সংস্কারের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
রাশেদ খাঁন মঙ্গলবার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও ১৬ মাসে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে গুপ্তহত্যার মতো ঘটনা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার লক্ষ্য ও অর্জনের প্রসঙ্গ টেনে আমরা এখনও সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে একটি নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের সবসময় মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি হিসেবে দাবি করেছে। কিন্তু সেই আওয়ামী লীগই গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার; যেখানে কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, চলাফেরার নিরাপত্তা থাকবে, মানুষ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হবে।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনের এই অভিযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করতে পারে। এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ কী হবে তা দেখার জন্য সবাই আগ্রহী।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হবে। এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করতে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।



