বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল একটি আলোচনা সভায় এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের পতাকা হাতে নিয়ে দেশে ফিরবেন। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে যাচ্ছে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার সাথে সাথে গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, সার্বভৌমত্বের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণের ভোটে তারা নির্বাচিত হলে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তারা কোনো অনিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়বে না।
মির্জা ফখরুল একাত্তরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ নতুন করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে চায়।
শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সারাদেশে বিক্ষোভ হয়েছে। তারা অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, হামলাকারী হিসেবে যাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন সন্ত্রাসী।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, যুব দলের নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজীব আহসানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রেখেছেন।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই আগ্রহী। তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার সাথে সাথে গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, সার্বভৌমত্বের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কী পরিবর্তন আসবে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।



