বাংলাদেশের ৫৫তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তিনি সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি কিছুক্ষণ নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর একটি সমন্বিত দল রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করে।
প্রধান উপদেষ্টা পরে সেখানে রক্ষিত দর্শকদের বইতে স্বাক্ষর করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি, অন্তবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাগণ, তিন সেনাবাহিনী প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক ও বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই যুদ্ধে তিন মিলিয়ন শহিদ ও দুই লাখ নারীর সম্মান রক্ষার বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও এই দিনটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
এই অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে স্মরণ করছে। এছাড়াও দেশটি তার স্বাধীনতা অর্জনের পথে যারা আত্মদান করেছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দেশটির জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ইতিহাসটি দেশটির জনগণকে তাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির মূল্য স্মরণ করিয়ে দেয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দেশটির জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। এই ইতিহাসটি দেশটির জনগণকে তাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির মূল্য স্মরণ করিয়ে দেয় এবং তাদেরকে দেশটির উন্নয়ন ও প্রগতির জন্য অনুপ্রাণিত করে।



