মহান বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান তিনি।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধান উপদেষ্টা। এসময় বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়, বিউগলে বাজে করুণ সুর।
শ্রদ্ধা জানানোর পর ড. ইউনূস উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সেনা কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন। মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
মঙ্গলবার ঢাকা পুরাতন বিমান বন্দর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি আর্টিলারি রেজিমেন্টের ০৬টি গান দ্বারা ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের প্রতি গান স্যালুট প্রদর্শন করা হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও যথাযোগ্য মর্যাদা এবং উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।
এই উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে দেশের মানুষ তাদের আত্মোৎসর্গের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। এই দিবসটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে স্মরণীয়।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অঙ্গীকার প্রকাশ করে। এই দিবসটি বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাদের ঐক্য ও সংহতি প্রকাশ করে।
মহান বিজয় দিবস উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য স্মরণ করে। এই দিবসটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অঙ্গীকার প্রকাশ করে।



