বিশ্বজুড়ে ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের নামে অনলাইন স্ক্যাম ক্যাম্পেইন চলছে। এসব ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা শিশুদের জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হবে বলে দাবি করা হচ্ছে।
একটি শিশুর পরিবার জানিয়েছে যে, তাদের সন্তানের নামে একটি ক্যাম্পেইন চালু করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে ২৭,০০০ ডলার সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু পরিবারটি জানতে পারেনি যে, এই অর্থ কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে। শিশুটির মা জানিয়েছেন যে, তারা শুধুমাত্র ৭০০ ডলার পেয়েছেন, যা ছিল চিত্রগ্রহণের জন্য দেওয়া একটি ফি।
এই ধরনের স্ক্যাম ক্যাম্পেইনের শিকার হয়েছে আরও অনেক পরিবার। একটি সূত্র জানিয়েছে যে, তারা এমন ১৫টি পরিবার চিহ্নিত করেছে, যারা এই ধরনের স্ক্যামের শিকার হয়েছে। এদের মধ্যে ৯টি পরিবার জানিয়েছে যে, তারা একটাই স্ক্যাম নেটওয়ার্কের শিকার হয়েছে, যা ৪ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে।
এই স্ক্যাম নেটওয়ার্কের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে একজন ইজরায়েলি ব্যক্তি, যিনি বর্তমানে কানাডায় বসবাস করছেন। তার নাম এরেজ হাদারি।
এই স্ক্যাম নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তদন্ত শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে, যখন একটি ভিডিও আমাদের মনোযোগে আসে। এই ভিডিওতে একটি শিশু দেখা যাচ্ছে, যে বলছে যে, সে ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং তার জীবন বাঁচাতে সাহায্য চাইছে।
এই স্ক্যাম নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা যায়। এই ধরনের স্ক্যামের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও আশা করা যায়।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এমন আশা রাখি। আমরা এই বিষয়ে সতর্ক থাকব এবং সঠিক তথ্য প্রদান করার চেষ্টা করব।
এই স্ক্যাম নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এই ধরনের স্ক্যামের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা প্রদান করা উচিত।
আমরা এই বিষয়ে সতর্ক থাকব এবং সঠিক তথ্য প্রদান করার চেষ্টা করব। এই স্ক্যাম নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।



