স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৪ বছর পরেও অনেক গল্প অশ্রুত রয়ে গেছে। এই সিরিজের ১০ম পর্বে আমরা বাংলাদেশের আদিবাসী যোদ্ধাদের কথা তুলে ধরছি, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে আদিবাসীদের অবদান অপরিসীম। তারা মুক্তিবাহিনীর সাথে মিলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। একজন আদিবাসী যোদ্ধা উক্যা চিং মারমা ছিলেন একজন বীর যোদ্ধা, যিনি মুক্তিযুদ্ধে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
১৯৭১ সালের ১৩ই নভেম্বর ভুরুঙ্গামারিতে মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। উক্যা চিং মারমা এই লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তার বীরত্বের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন।
আদিবাসী যোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তারা মুক্তিবাহিনীর সাথে মিলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। আদিবাসী যোদ্ধাদের অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে।
আদিবাসী যোদ্ধাদের অবদান স্বীকার করে বাংলাদেশ সরকার তাদের সম্মান করেছে। আদিবাসী যোদ্ধাদের অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে।
মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসীদের অবদান অপরিসীম। তারা মুক্তিবাহিনীর সাথে মিলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। আদিবাসী যোদ্ধাদের অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে।
আদিবাসী যোদ্ধাদের অবদান স্বীকার করে বাংলাদেশ সরকার তাদের সম্মান করেছে। আদিবাসী যোদ্ধাদের অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে।
মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসীদের অবদান অপরিসীম। তারা মুক্তিবাহিনীর সাথে মিলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। আদিবাসী যোদ্ধাদের অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে.



