মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেন্টানিলকে ‘বিধ্বংসী অস্ত্র’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সোমবার এক ঘোষণায় তিনি এই সিদ্ধান্ত জানান। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন মাদক চোরাচালানকারীদের ‘নার্কো-সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং ল্যাটিন আমেরিকার মাদক কার্টেলগুলোকে ‘বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
ট্রাম্প বলেছেন, মাদক চোরাচালানকারীরা আমেরিকানদের হত্যা করার জন্য ফেন্টানিল আমেরিকায় পাচার করছে। তিনি বলেছেন, এই সমস্যা মোকাবেলার জন্য তিনি আরেকটি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ফেন্টানিলকে ‘বিধ্বংসী অস্ত্র’ হিসেবে ঘোষণা করে তিনি একটি ঐতিহাসিক নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করবেন।
এই ঘোষণার ব্যবহারিক প্রভাব কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। নির্বাহী আদেশটি নির্বাহী সংস্থাগুলোর প্রধানদের কাছে কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যাতে ফেন্টানিল এবং এর মূল উপাদানগুলোর হুমকি দূর করা যায়।
বর্তমান মার্কিন আইন অনুসারে, ‘বিধ্বংসী অস্ত্র’ হলো এমন কোনো অস্ত্র যা বিষাক্ত বা ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ বা এর উপাদানগুলোর মুক্তি, বিস্তার বা প্রভাবের মাধ্যমে মৃত্যু বা গুরুতর শারীরিক ক্ষতি সৃষ্টি করার জন্য ডিজাইন বা উদ্দেশ্যমূলক।
এই ঘোষণার রাজনৈতিক প্রভাব কী হবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু এটি নিশ্চিত যে এই সিদ্ধান্ত মাদক চোরাচালান মোকাবেলায় ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
ফেন্টানিল একটি মাদক যা ব্যথা নিবারণে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এটি অত্যন্ত ক্ষতিকারক এবং মারাত্মক ব্যসন সৃষ্টি করতে পারে। এই মাদকটি আমেরিকায় ব্যাপকভাবে পাচার হচ্ছে এবং এর ফলে অনেক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।
ট্রাম্প প্রশাসন মাদক চোরাচালান মোকাবেলায় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই ঘোষণা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যা ফেন্টানিল পাচার রোধে সাহায্য করবে। কিন্তু এই সমস্যা সমাধানের জন্য আরও অনেক কিছু করা দরকার।
ফেন্টানিল পাচার রোধে সরকার, সমাজ এবং ব্যক্তিদের সকলকেই একসাথে কাজ করতে হবে। এই সমস্যা মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা একসাথে কাজ করলে এই সমস্যা সমাধান করতে পারব।



