আজ দেশ বিজয় দিবস পালন করছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশটি পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর কাছ থেকে মুক্ত হয়েছিল। নয় মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল।
সরকার বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকালে রাজধানীতে ৩১ গনসালুট দিয়ে দিনটি শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা সকালে সূর্যোদয়ের সময় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করবেন।
এছাড়াও, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করবে। বিদেশি কূটনীতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করবে।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন এবং বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও প্রতিষ্ঠানগুলো আলোকিত করা হবে।
বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে, দেশটি সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাগ্লাইডিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রতি বছরের মতো, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সকল জেলা ও উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলা আয়োজন করবে।
সুহ্রাওয়ার্দি উদ্যানে বিকেল ৩টায় বিজয় দিবসের গান পরিবেশন করা হবে। একই সময়ে, নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা ৬৪ জেলায় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশন করবে। রাষ্ট্রপতি বিকেলে বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানাবেন।
সরকারের বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার আকাশে জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাগ্লাইডিং করবে।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি পালন করা হবে। এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে স্মরণীয় হবে।



