হন্দুরাসের জাতীয় নির্বাচনী কাউন্সিলের (সিএনই) প্রধান অ্যানা পাওলা হল বলেছেন, দেশটির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুনর্গণনা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি করা যাচ্ছে না। এই বক্তব্য এসেছে একটি অঞ্চলভিত্তিক সংস্থার পক্ষ থেকে, যারা বলেছে যে নভেম্বর ৩০ তারিখের নির্বাচনে কোনো জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
হন্দুরাসের রাজধানী তেগুসিগালপায় চলমান বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মধ্যে এই বক্তব্য এসেছে। নাসরি আসফুরা, একজন ডানপন্থী ব্যবসায়ী, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছেন, তিনি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সালভাদর নাসরাল্লার থেকে খুব কম ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ইতিমধ্যেই ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা করা হয়েছে, কিন্তু সিএনই বলেছে যে প্রায় ২,৮০০ ব্যালট পুনরায় পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
অ্যানা পাওলা হল বলেছেন, তেগুসিগালপায় দেখা দেওয়া অস্থিরতা পুনর্গণনা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি করা যাচ্ছে না। পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, সিএনই-তে তিনজন কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চলছে, যা চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাচ্ছে।
নাসরাল্লা এবং বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট জিওমারা কাস্ট্রো উভয়েই ভোট জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন, যদিও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিশন এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সোমবার, অ্যামেরিকান স্টেটস সংস্থা (ওএএস), একটি অঞ্চলভিত্তিক সংস্থা, বলেছে যে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দক্ষতার অভাব থাকলেও, ফলাফলের উপর সন্দেহ তৈরি করার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ওএএস মিশনের প্রতিনিধি এলাদিও লোইজাগা বলেছেন, নির্বাচনী কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে পুনর্গণনা শুরু করতে হবে এবং সরকারী ফলাফল প্রকাশের জন্য সমস্ত সম্ভাব্য উপায় অন্বেষণ করতে হবে। তিনি বলেছেন, ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব ন্যায়সঙ্গত নয়। ওএএস মিশনের ১০১ জন পর্যবেক্ষক ১৯টি দেশ থেকে এসেছেন, তারা কোনো জালিয়াতির প্রমাণ পাননি। এই ফলাফল ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন মিশনের সাথে মিলে যায়।
হন্দুরাসের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উত্তপ্ত। নির্বাচন ফলাফল নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যত অনিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে, ওএএস-এর বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। হন্দুরাসের জনগণ এখন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করার অপেক্ষায় রয়েছে।
হন্দুরাসের নির্বাচন ফলাফল নিয়ে বিতর্ক চলছে। এই বিতর্ক দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করবে। হন্দুরাসের জনগণ এখন তাদের রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে স্থিতিশীলতা ও শান্তির আশা করছে। এই পরিস্থিতিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। তাদের উচিত হন্দুরাসের জনগণকে তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করতে সাহায্য করা।
হন্দুরাসের নির্বাচন ফলাফল নিয়ে বিতর্ক চলছে। এই বিতর্ক দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করবে। হন্দুরাসের জনগণ এখন তাদের রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে স



