পশ্চিম তীরের নুর শামস শরণার্থী শিবিরে ২৫টি বাড়ি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১০০টি পরিবার বাস্তুচ্যুত হবে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোগাট বডি থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। তুলকারেম গভর্নরেটের গভর্নর আবদাল্লাহ কামিল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইসরায়েল পশ্চিম তীরে অপারেশন আয়রন ওয়াল চালু করেছে। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দমন করা। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
নুর শামস শিবিরের বাসিন্দারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে চায়। প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রধান রুহি ফাত্তুহ এই সিদ্ধান্তকে জাতিগত নির্মূল এবং বলপূর্বক স্থানচ্যুতি বলে অভিহিত করেছেন।
ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওমর বারটোভ বলেছেন, ইসরায়েল পশ্চিম তীরের প্যালেস্টাইনিদেরকে অমানবিক আচরণ করছে। এই অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়ছে।
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম বাড়ছে। এর ফলে প্যালেস্টাইনিদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে নিয়ে যেতে পারে না।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি আরও বাড়তে পারে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করতে হবে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
প্যালেস্টাইনিদের অধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি আরও বাড়তে পারে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করতে হবে।
প্যালেস্টাইনিদের অধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
প্যালেস্টাইনিদের অধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি আরও বাড়তে পারে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করতে হবে।
প্যালেস্টাইনিদের অধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
প্যালেস্টাইনিদের অধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে। এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি আরও বাড়তে পারে। এই অঞ্চলে শান্তি



