সিডনির বন্ডি বিচে একটি ইহুদি হানুক্কাহ উদযাপনে দুই গুলি চালানোর ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে। এই ঘটনাটি অস্ট্রেলিয়ার কঠোর অস্ত্র আইনের পরেও ঘটেছে।
পুলিশ এই ঘটনাটিকে একটি ‘সন্ত্রাসবাদী’ হামলা বলে অভিহিত করেছে। এটি ১৯৯৬ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে ভয়াবহ গুলি চালানোর ঘটনা। ১৯৯৬ সালে, গুলি চালানোর ঘটনায় ৩৫ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছিল।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ কমিশনার ম্যাল ল্যানিয়ন সোমবার একটি প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন যে দুই সন্দেহভাজনের একজন ৫০ বছর বয়সী এবং অন্যজন ২৪ বছর বয়সী। তারা উভয়ই সিডনির একটি শহরতলিতে বসবাস করত।
অস্ট্রেলিয়ায় অস্ত্র আইন খুবই কঠোর। ১৯৯৬ সালের গুলি চালানোর ঘটনার পর, অস্ট্রেলিয়া সরকার ন্যাশনাল ফায়ারআর্মস এগ্রিমেন্ট (এনএফএ) প্রবর্তন করে। এই আইনে অস্ত্র মালিকানা এবং ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে যে সন্দেহভাজনরা উভয়ই অস্ত্র লাইসেন্স ধারণ করছিল। তবে তারা কীভাবে অস্ত্র পেয়েছে এবং কেন গুলি চালানোর ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা জানতে চাইছে যে সন্দেহভাজনরা কীভাবে অস্ত্র পেয়েছে এবং কেন তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
এই ঘটনার পর, অস্ট্রেলিয়ায় অস্ত্র আইন আরও কঠোর করার দাবি ওঠাচেঁড়া শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন যে অস্ত্র আইন আরও কঠোর করতে হবে যাতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
অস্ট্রেলিয়া সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা জানতে চাইছেন যে কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে এবং কীভাবে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
এই ঘটনার পর, অস্ট্রেলিয়ায় অনেকে শোকাহত। তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন।
অস্ট্রেলিয়া সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা জানতে চাইছেন যে কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে এবং কীভাবে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
এই ঘটনার পর, অস্ট্রেলিয়ায় অনেকে অস্ত্র আইন আরও কঠোর করার দাবি জানাচ্ছেন। তারা বলছেন যে অস্ত্র আইন আরও কঠোর করতে হবে যাতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
অস্ট্রেলিয়া সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা জানতে চাইছেন যে কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে এবং কীভাবে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
এই ঘটনার পর, অস্ট্রেলিয়ায় অনেকে শোকাহত। তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন।
অস্ট্রেলিয়া সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা জানতে চাইছেন যে কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে এবং কীভাবে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
এই ঘটনার পর, অস্ট্রেলিয়ায় অনেকে অস্ত্র আইন আরও কঠোর করার দাবি জানাচ্ছেন। তারা বলছেন যে অস্ত্র আইন আরও কঠোর করতে হবে যাতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
অস্ট্রেলিয়া সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা জানতে চাইছেন যে কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে এবং কীভাবে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
এই ঘটনার পর, অস্ট্রেলিয়ায় অনেকে শোকাহত। তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন।
অস্ট্রেলিয়া সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছ



