বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমান বলেছেন, ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনাটি আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ব্যাহত করার একটি ষড়যন্ত্রের অংশ।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত একটি আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তারিক রহমান জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
তিনি বলেন, হাদি গণতন্ত্রের পক্ষে রয়েছেন এবং তাকে হত্যার ঘটনাটিও এই ষড়যন্ত্রের অংশ। তারিক রহমান তিনটি প্রশ্ন তুলে ধরেন এই হামলার পিছনে উদ্দেশ্য তুলে ধরার জন্য: যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যর্থ হয়, তাহলে কে খুশি হবে? যদি বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতায় থাকে, তাহলে কে লাভবান হবে? যদি জনগণের ভোটের মাধ্যমে একটি জনতার সরকার গঠিত না হয়, তাহলে কে লাভবান হবে?
তিনি বলেন, হাদিকে হত্যাকারীদের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করা সম্ভব। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন দীর্ঘদিন প্রত্যাশিত জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে।
তারিক রহমান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিকে ইতিহাস বিকৃত করার এবং স্বাধীনতাকে রাজনীতিকরণের চেষ্টা করার অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, আমাদের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার হওয়া উচিত প্রতিশোধ বা শত্রুতার রাজনীতি নয়, বরং একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা যাতে বিজয়ের ফলস্বরূপ প্রতিটি পরিবারে পৌঁছায়।
বিএনপি নেতা বলেন, স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না যদি না জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হয়। তিনি বলেন, স্বাধীনতাপ্রেমিক নাগরিকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হবে, কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রতিটি আন্দোলন প্রমাণ করেছে যে ঐক্যবদ্ধ জনগণকে থামানো সম্ভব নয়।
তিনি আগামী নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল বলে উল্লেখ করেন, যা সরাসরি দেশের সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের সাথে সম্পর্কিত।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএনপির একজন নেতা।
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমানের এই বক্তব্য আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি নেতারা বারবার নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির এই ধরনের বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করবে। তারা বলছেন, সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের চেষ্টা করা উচিত।
এদিকে, সরকারি পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে সরকারি মহল থেকে বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সময়সীমা ঠিক করেছে এবং সকল রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত জটিল। সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমানের বক্তব



