20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাবাংলাদেশের বাহ্যিক ঘাটতি ৭৪৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

বাংলাদেশের বাহ্যিক ঘাটতি ৭৪৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

বাংলাদেশের আমদানি বিল দেশটির রফতানি আয়ের চেয়ে দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে চলতি হিসাবের ঘাটতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশটির বাহ্যিক অর্থব্যবস্থার উপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বাহ্যিক ঘাটতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর মাসে ৭৪৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

এই ঘাটতি ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায়, যখন ঘাটতি ছিল ৬৪০ মিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদরা এই ঘাটতি ট্র্যাক করেন চলতি হিসাবের মাধ্যমে, যা একটি দেশের বাণিজ্য, বিদেশী বিনিয়োগ, রেমিট্যান্স এবং বিদেশী সাহায্য থেকে আয় ও ব্যয়কে রেকর্ড করে।

জুলাই-অক্টোবর মাসে, আমদানি বিল ৫.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২২.১১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ২০.৯৫ বিলিয়ন ডলারের তুলনায়। অন্যদিকে, রফতানি আয় ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৪.৫৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

ফলস্বরূপ, আমদানি ও রফতানির মধ্যে পার্থক্য, যা বাণিজ্য ঘাটতি নামে পরিচিত, ৭.৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ৬.৬৮ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় বেশি।

শিল্প বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে আগামী নির্বাচনের পর আমদানি আরও বাড়তে পারে, যা বিদেশী মুদ্রার ভারসাম্যে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তারা রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন আমদানি বিল বাড়তে থাকলে তা মেটাতে।

তবে, আর্থিক প্রবাহ থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। বাহ্যিক অর্থব্যবস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, আর্থিক হিসাব, যা বিদেশী বিনিয়োগ, ঋণ, সাহায্য ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আগত অর্থকে ট্র্যাক করে, সুরপ্লাসে ফিরেছে।

এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক। সরকার ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রফতানি বাড়ানো, আমদানি কমানো এবং রেমিট্যান্স বৃদ্ধির প্রয়োজন। এছাড়াও, দেশটির বাহ্যিক অর্থব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে আর্থিক হিসাবের সুরপ্লাস বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

সরকার ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এতে রফতানি বৃদ্ধি, আমদানি হ্রাস, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং আর্থিক হিসাবের সুরপ্লাস বজায় রাখার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যত স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির উপর নির্ভর করবে। সরকার ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments