বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ে প্রফেসর রেহমান সোভানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছিলেন। তিনি পাকিস্তানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।
প্রফেসর রেহমান সোভান বলেছেন, পাকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দুটি সামরিক চুক্তিতে যোগ দিয়েছিল, যা ছিল বাগদাদ চুক্তি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি। তিনি এই চুক্তিগুলির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।
প্রফেসর রেহমান সোভান বলেছেন, তৃতীয় বিশ্বের নেতারা, যার মধ্যে নেহরু, সুকার্নো, এবং নক্রুমাহ অন্যতম, বান্ডুং সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। এই সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি মধ্যম পথ তৈরি করা।
প্রফেসর রেহমান সোভান বলেছেন, পাকিস্তানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কিন্তু তিনি এই সম্পর্কের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ক্ষতিকর।
প্রফেসর রেহমান সোভানের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, তার প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত সফল।
প্রফেসর রেহমান সোভানের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, তার প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত সফল।
প্রফেসর রেহমান সোভানের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, তার প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত সফল।
প্রফেসর রেহমান সোভানের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, তার প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত সফল।
প্রফেসর রেহমান সোভানের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, তার প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত সফল।



