মিয়ানমারের সাবেক গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির স্বাস্থ্য ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। তার ছেলে কিম অ্যারিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তার মা হয়ত মারা গেছেন।
অং সান সু চি ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বন্দি। তার ছেলে কিম অ্যারিস জানিয়েছেন, তিনি গত কয়েক বছর ধরে তার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যাচ্ছে না।
কিম অ্যারিস আরও জানিয়েছেন, তার মায়ের নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা আছে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে তাকে কেউ দেখেনি। তার আইনজীবী দলের সঙ্গে তাকে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয় না। পরিবারের সঙ্গে তো কথাই নাই।
অং সান সু চি ২০১০ সালে নির্বাচনের কয়েকদিন পরই মুক্তি পেয়েছিলেন। ২০১৫ সালের নির্বাচনে তিনি কার্যত মিয়ানমারের নেত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার অস্থিতিশীল। অং সান সু চি ২৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত।
কিম অ্যারিস মনে করেন, তার মা হয়ত মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের সামরিক সরকারের নিজস্ব কানও উদ্দেশ্য আছে। যদি তারা নির্বাচনের আগে বা পরে সাধারণ মানুষকে শান্ত করতে অং সান সু চিকে মুক্তি দিতে চান কিংবা গৃহবন্দি করতে চান, তবে অন্তত সেটাই কিছু একটা হবে।
মিয়ানমারের সামরিক সরকারের মুখপাত্র এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। দেশটির সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে উৎসব বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও উপলক্ষে বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার রেকর্ড আছে।
কিম অ্যারিস আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংঘাতের কারণে মানুষ সম্ভবত মিয়ানমারের কথা ভুলতে বসেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তার মা হয়ত মারা গেছেন।
অং সান সু চির ছেলে কিম অ্যারিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তার মা হয়ত মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের সামরিক সরকারের নিজস্ব কানও উদ্দেশ্য আছে।
মিয়ানমারের সামরিক সরকারের মুখপাত্র এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। দেশটির সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে উৎসব বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও উপলক্ষে বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার রেকর্ড আছে।
কিম অ্যারিস আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংঘাতের কারণে মানুষ সম্ভবত মিয়ানমারের কথা ভুলতে বসেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তার মা হয়ত মারা গেছেন।



