চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল সন্ধ্যায় একটি উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। ইসলামী ছাত্র শিবির এবং সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ব্যানারে ছাত্ররা প্রশাসনিক ভবন লক করা এবং একজন উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিপরীত অবস্থানে ছিল।
জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র পরিষদের নেতা ও কর্মীরাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সন্ধ্যায়, যখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতারা প্রশাসনিক ভবন খুলতে এসেছিলেন, তখন প্রতিবাদী ছাত্ররা তাদের বাধা দেয়। ছাত্র সংসদের নেতাদেরকে স্লোগানের মধ্যে পিছু হটতে বাধ্য করা হয়।
এর পরে, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা প্রশাসনিক ভবনের চারপাশে জড়ো হয়। ছাত্র দল এবং বামপন্থী ছাত্র গোষ্ঠী প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়, যখন ছাত্র শিবির কর্মীরা ভবনের উভয় পাশে অবস্থান নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের সদস্যরা উভয় পক্ষের মধ্যে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি বেগুনি হওয়ার আশঙ্কা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন।
ছাত্র শিবিরের একটি মিছিল থেকে বিভিন্ন স্লোগান উচ্চারিত হয়। অন্যদিকে, ছাত্র দল এবং বামপন্থী কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ছাত্র সংসদের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম হোসেন রনি ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের প্রশাসনিক ভবন লক করার পুরানো সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যেতে হবে। ছাত্ররা সারাদিন এর কারণে কষ্ট পেয়েছে।
ছাত্রদের মধ্যে এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে প্রশাসনিক ভবন লক করা এবং একজন উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি নিয়ে। এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
ছাত্রদের মধ্যে এই ধরনের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া থেকে বিরত রাখতে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ছাত্রদের দাবি শোনা এবং সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। এছাড়াও, ছাত্রদের উচিত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি পেশ করা এবং পরিস্থিতি বেগুনি হওয়ার আশঙ্কা থেকে বিরত থাকা।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য কী পদক্ষেপ নিতে পারে? আপনি কি মনে করেন ছাত্রদের দাবি কীভাবে সমাধান করা যায়?



