বইমেলার প্রতি পাঠকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। সোমবার মেলায় পাঠকদের ভিড় দেখা গেছে। মেলায় বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়েছে।
প্রকাশকরা জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাসভিত্তিক বইয়ের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মেলায় বিশেষ আয়োজন থাকবে।
মেলায় নতুন বইয়ের প্রকাশনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অমিত হাসান সোহাগের ‘ডাঙ্গুয়া কারাম’, নোবেলজয়ী লেখক লাজলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের ‘হোমারের পদরেখা ধরে’ এবং মহিউদ্দিন আহমদের ‘আহমদ ছফা: আমার কথা কইবে পাখি’।
পাঠকদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার ইতিহাস, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং সাহিত্যভিত্তিক বইয়ের প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখা গেছে। মেলায় প্রতিদিন বেলা আড়াইটায় কার্যক্রম শুরু হয়।
সন্ধ্যায় বিজয় বইমেলার নজরুল মঞ্চে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলা আমার’-এর শিশু শিল্পীদের দেশাত্মবোধক গান ও আবৃত্তি দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়াও শিল্পী হুমায়ুন আজম রেওয়াজ লোকসংগীত ও গণসংগীত পরিবেশন করেন।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মেলায় দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন থাকবে। সকাল ১১টা থেকে শিশুদের জন্য থাকবে আঁকিবুঁকি ও ‘গুড্ডু টয়েস’-এর খেলার আসর। দিনব্যাপী ‘ওয়ান নাইন জিরোস ট্রি ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষ থেকে বিতরণ করা হবে গাছের চারা।
বিকেলে বিজয় মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে লেখক আড্ডা, যেখানে অংশ নেবেন লেখক সাদাত হোসাইন ও সুহান রিজওয়ান। সন্ধ্যায় থাকছে ‘খেলার শৈশব’, পেন্টোমাইম মুভমেন্টের মূকাভিনয় এবং ‘মজার ইশকুল’-এর শিশু শিল্পীদের পরিবেশনা। রাতে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চস্থ হবে ম্যাড থিয়েটারের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ‘ঘরে ফেরা’।
বইমেলা পরিদর্শন করতে আসা পাঠকরা বলছেন, এখানে তারা নতুন নতুন বই পড়তে পারছেন। এছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো তাদের খুব ভালো লাগছে। তারা আশা করছেন, বইমেলা আরও বেশি দিন চলবে।
বইমেলার আয়োজকরা বলছেন, তারা পাঠকদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করেছেন। তারা আশা করছেন, পাঠকরা বইমেলায় আসবেন এবং নতুন নতুন বই পড়বেন। তারা বলছেন, বইমেলা হলো পাঠকদের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।
বইমেলা পরিদর্শন করে পাঠকরা বলছেন, এখানে তারা বিভিন্ন ধরনের বই পাচ্ছেন। তারা বলছেন, বইমেলা হলো পাঠকদের জন্য একটি বিশেষ জায়গা। তারা আশা করছেন, বইমেলা আরও বেশি দিন চলবে এবং পাঠকরা আরও বেশি বই পড়বেন।



