মরক্কো-আলজেরিয়ার সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় তীব্র শীতের কারণে অন্তত নয়জন আফ্রিকান অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। উন্নত জীবনের আশায় তারা উত্তর আফ্রিকা থেকে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
মরক্কোর সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকা রাস আসফুরে সাতজন পুরুষ ও দু’জন নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শীতকালে এই এলাকায় তাপমাত্রা হঠাৎ করে অত্যন্ত কমে যায়। চরম ঠান্ডায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতদের একজন গিনির নাগরিক বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকিরা সাব-সাহারা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের হলেও তাদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।
মরক্কো থেকে স্পেনে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই সেউতা ও মেলিলা—উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের দুটি ক্ষুদ্র ছিটমহলে পৌঁছাতে চেষ্টা করেন। অন্যরা আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর দীর্ঘ ও বিপজ্জনক পথ বেছে নেন।
মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিতভাবে এসব অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করে আসছে। মরক্কোর অরগানাইজেশন অব হিউম্যান রাইটস নামের আরেকটি মানবাধিকার সংগঠন সীমান্ত ব্যবস্থাকে আরও মানবিক করার, অবৈধ অভিবাসন ও বসবাসকে অপরাধ হিসেবে গণ্য না করার এবং নিখোঁজ অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে রাস আসফুরের মতো মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। তারা আরও মানবিক সীমান্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
মরক্কোর সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি বিরাজমান। তাদের অধিকাংশই উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে তারা প্রায়ই বিপদের মুখোমুখি হচ্ছে।
এই ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই বিষয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা আরও মানবিক সীমান্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
মরক্কোর সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি বিরাজমান। তাদের অধিকাংশই উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে তারা প্রায়ই বিপদের মুখোমুখি হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। তারা আরও মানবিক সীমান্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। মরক্কোর সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অভিবাসন প্রত্যাশী



