গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামে একটি বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এই অভিযানের লক্ষ্য অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং ফ্যাসিস্টদের দমন করা।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গত দুই দিনে এই অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত শনিবার আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোর কমিটির সভায় এই অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে। এটিকে আরও জোরদার ও বেগবান করার জন্য এবং ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসীদের দমনের উদ্দেশ্যে কোর কমিটি ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ অবিলম্বে চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ চলবে। এর ১০ মাস আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু করা হয়েছিল।
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যারা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যারা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।
এই অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী একসাথে কাজ করছে। তারা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছে এবং ফ্যাসিস্টদের দমন করছে। এই অভিযান চলাকালীন সময়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সতর্ক থাকছে যাতে কোনও অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে।
এই অভিযানের ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এই অভিযানে তাদের দক্ষতা ও সাহস প্রদর্শন করছে। এই অভিযান চলাকালীন সময়ে দেশের নাগরিকরা নিরাপদ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, এই অভিযানের ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



