দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এবং তার পরিবারের সম্পদের বিবরণী চেয়ে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার কথা বলেছে সামিট করপোরেশন লিমিটেড।
সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, তার স্ত্রী আঞ্জুমান আজিজ খান এবং মেয়ে আয়েশা আজিজ খানের দাখিল করা আয়কর নথিতে সম্পদের যে পরিমাণ দেখানো হয়েছে, তা ঘোষিত আয়ের সঙ্গে ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ হওয়ায় তাদের তলব করে দুদক।
সামিট করপোরেশন লিমিটেড এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা সম্পূর্ণ বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাতে জানতে পেরেছে। তারা যেকোনো সরকারি আইনি প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এবং তার পরিবারের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসা হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, আজিজ খান দেশের অর্থ সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ‘পাচারের’ মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।
সামিট করপোরেশন লিমিটেড বলেছে, তারা সম্পদের বিবরণী স্বচ্ছতার সঙ্গে ঘোষণা করে আসছে। তারা আরও বলেছে, তাদের আয়কর রিটার্নগুলো অত্যন্ত বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ দলিল, যেখানে কেবল সম্পদের তালিকাই নয়, বরং প্রতিটি উপার্জনের বিস্তারিত উৎসও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
সামিট গ্রুপের এই বিবৃতি এসেছে দুদকের তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে। দুদক জানিয়েছে, তারা সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী তদন্ত করছে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে, সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসা হয়েছে।
সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বাজারে উত্তেজনা বাড়তে পারে। এটা নিশ্চিত যে, সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসা হয়েছে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়।
সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে, সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসা হয়েছে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়।
সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বাজারে কী প্রভাব পড়বে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে, সামিট গ্রুপের সম্পদের বিবরণী দুদকের তদন্তে নিয়ে আসা হয়েছে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়।



