সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় করা এ মামলায় তার সহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর আনিস আলমগীরকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়। এ বিষয়ে আনিস আলমগীর গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে মুঠোফোনে জানিয়েছিলেন, তাঁকে ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নিয়ে আসা হয়।
আজ সোমবার বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিটে আনিস আলমগীরকে আদালতে তোলা হয়। রিমান্ড শুনানিতে তিনি আদালতকে জানান, তাঁকে যারা নির্দিষ্ট দলের গোলাম বানাতে চায়, এটা তাদের সমস্যা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান রিমান্ডের আবেদন করেন।
আনিস আলমগীর আদালতে বলেন, তিনি সাংবাদিক। তিনি ক্ষমতাকে প্রশ্ন করেন। দুই যুগ ধরে তিনি এটা করে এসেছেন। তাঁর কাজ কারও কাছে নতজানু হওয়া না। তাঁকে যারা নির্দিষ্ট দলের গোলাম বানাতে চায়, এটা তাদের সমস্যা।
পরে জানা যায়, ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ গতকাল রাত দুটার দিকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এ মামলা করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ সহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
আদালতে আনিস আলমগীর বলেন, তাঁর ফেসবুকে সব বক্তব্য দেন। এখানে অপ্রকাশিত নেই কোনো কিছু। তিনি ইউনূসের বাড়ি আক্রমণের কথা বলেছেন। কিন্তু কোন কারণে বলেছেন, ৩২-এ আক্রমণ এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি। এটা ফিরে আসবে। সেটা বলেছেন। জুলাইয়ের স্পিরিট কীভাবে বাড়বে, তাঁরা সেটা বলেছেন। এখানে তাঁর ভুল কী হয়েছে, তিনি জানেন না। তাঁর সঙ্গে কারও যোগসূত্র নেই। ড. ইউনূস যদি চায়, সারা বাংলাদেশকে কারাগার বানাবে, বানাতে পারে।
পুলিশ আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান রিমান্ডের আবেদন করেন। বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।
আদালতে আনিস আলমগীর বলেন, মাননীয় আদালত, তিনি সাংবাদিক। তিনি ক্ষমতাকে প্রশ্ন করেন। দুই যুগ ধরে তিনি এটা করে এসেছেন। তাঁর কাজ কারও কাছে নতজানু হওয়া না। তাঁকে যারা নির্দিষ্ট দলের গোলাম বানাতে চায়, এটা তাদের সমস্যা। তাঁর ফেসবুকে সব বক্তব্য দেন। এখানে অপ্রকাশিত নেই কোনো কিছু। তিনি ইউনূসের বাড়ি আক্রমণের কথা বলেছেন। কিন্তু কোন কারণে বলেছেন, ৩২-এ আক্রমণ এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি। এটা ফিরে আসবে। সেটা বলেছেন। জুলাইয়ের স্পিরিট কীভাবে বাড়বে, তাঁরা সেটা বলেছেন। এখানে তাঁর ভুল কী হয়েছে, তিনি জানেন না। তাঁর সঙ্গে কারও যোগসূত্র নেই। ড. ইউনূস যদি চায়, সারা বাংলাদেশকে কারাগার বানাবে, বানাতে পারে।
গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে মুঠোফোনে আনিস আলমগীর জানিয়েছিলেন, তাঁকে ধ



