ঢাকার বসুন্ধরায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে দুই দিনব্যাপী এক আলু উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। এখানে আলু উৎপাদন, বিপণন, কৃষি যন্ত্রপাতি, কোল্ড চেইন প্রযুক্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ৬৬টি স্টল ছিল।
এই উৎসবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্টলে আলু থেকে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হয়েছে। এখানে আলু দিয়ে রসমালাই, পায়েস, কেক, কাটলেট, হালুয়া, চানাচুর, পেঁয়াজু, নিমকি সহ নানা পদ প্রদর্শিত হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলুর ফ্লেক্স ব্যবহার করে আটা দিয়ে যেসব পণ্য তৈরি করা যায়, সেগুলো আলু দিয়েও বানানো যায়। তিনি আরও জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ২০০ প্রজাতির আলু রয়েছে।
এই উৎসবে অংশগ্রহণকারী একজন পরিদর্শক জানিয়েছেন, তিনি জানতেন না যে আলু দিয়ে এত ধরনের খাবার বানানো যায়। তিনি এখন বাড়িতে এই খাবারগুলো বানানোর চেষ্টা করবেন।
আলু উৎসবের আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই উৎসবের মাধ্যমে তারা আলু উৎপাদন, বিপণন, কৃষি যন্ত্রপাতি, কোল্ড চেইন প্রযুক্তি সম্পর্কিত তথ্য পরিদর্শকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চায়। তারা আশা করছেন, এই উৎসবের মাধ্যমে আলু উৎপাদন ও বিপণন বাড়বে।
পাঠকদের জন্য পরামর্শ: আপনারা আলু দিয়ে বিভিন্ন ধরনের খাবার বানাতে পারেন। আপনারা আলু উৎপাদন, বিপণন, কৃষি যন্ত্রপাতি, কোল্ড চেইন প্রযুক্তি সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। আপনারা আলু উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং আলু সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানতে পারেন।



