জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছে। টিআইবি বলেছে, এটি সরকারি প্রভাব থেকে মুক্ত একটি মানবাধিকার পর্যবেক্ষক গঠনের সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেবে।
টিআইবি বলেছে, এই অধ্যাদেশ খসড়া প্রণয়নে জড়িত স্টেকহোল্ডারদের অজ্ঞাত রাখা হয়েছে, যা আমলাতান্ত্রিক জবরদস্তি ও এমনকি সরকারি সংস্কার প্রক্রিয়াকে জিম্মি করে রাখার একটি উদাহরণ। টিআইবি বলেছে, নির্বাচন কমিটিতে ক্যাবিনেট সচিবকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে শুধুমাত্র সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
টিআইবি এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রকাশিত হওয়ার পর, টিআইবি ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা এই আশা করেছিলেন যে কমিশনটি আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হবে এবং জনগণের আশা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী গঠিত হবে। তিনি বলেছেন, কিন্তু মাত্র এক মাসের মধ্যে, ৯ই ডিসেম্বর ২০২৫, নির্বাচন কমিটিটি সরকারি নিয়ন্ত্রণের একটি হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
টিআইবি বলেছে, বাংলাদেশে মানবাধিকার কমিশন ও অন্যান্য কমিশনগুলি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রভাবের কারণে কার্যকর হয়নি, এবং নির্বাচন কমিটিতে এই পরিবর্তনটি একটি পৃথক ঘটনা নয়, বরং একটি সরকারি নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য একটি ষড়যন্ত্রের একটি উদাহরণ।
টিআইবি বলেছে, এই পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য একটি বড় হুমকি। টিআইবি সরকারকে এই অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনা করতে এবং মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে টিআইবির এই বিবৃতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে একটি বড় বিতর্ক সৃষ্টি হবে বলে মনে হচ্ছে।
বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য এই ঘটনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিআইবির এই বিবৃতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় ঘটাতে পারে। এই বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলে মনে হচ্ছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে টিআইবির এই বিবৃতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে একটি বড় বিতর্ক সৃষ্টি হবে বলে মনে হচ্ছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।



