নেত্রকোনায় হেলাল হাফিজের প্রথম প্রয়াণ দিবসে এক স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় কবির বন্ধু, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দরা অংশ নেন।
শনিবার হিমু পাঠক আড্ডা আয়োজন করে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় কবিতা পাঠ ও কবির স্মৃতিচারণ করা হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ এবং কবি বন্ধুরা আলোচনায় অংশ নেন।
জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার মো. আতিকুর রহমান, কবিবন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, সংস্কৃতিকর্মী সৈয়দা নাজনীন সুলতানা সুইটি, আবৃত্তিকার শিল্পী ভট্টাচার্যসহ অন্যরা কবির স্মৃতিচারণ করেন।
তারা বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে কবি হেলাল হাফিজের যুদ্ধে যাওয়ার কবিতাও ততদিন থাকবে। হেলাল হাফিজরা হারিয়ে যেতে পারে না। তাদের প্রস্থান হয়। তিনি বেঁচে থাকবেন তাঁর কবিতায়, তাঁর ভাষায়।
সাহিত্যে রাজনীতিতে সমাজে কবির অবদান তুলে ধরার মাধ্যমে নিজ এলাকায় কবির কবিতাকে নতুনের মাঝে পরিচয় করানোই মূল লক্ষ্য।
হেলাল হাফিজ ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
নেত্রকোনার মানুষ কবি হেলাল হাফিজের স্মৃতিকে সম্মান করে। তারা তাঁর কবিতার মাধ্যমে তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে চায়।
কবি হেলাল হাফিজের স্মৃতিসভা নেত্রকোনার মানুষের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই সভায় কবির বন্ধু ও অনুসারীরা তাঁর স্মৃতিকে সম্মান করেন।
কবি হেলাল হাফিজের কবিতা বাংলাদেশের সাহিত্যে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তাঁর কবিতা বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করেছে।
নেত্রকোনার মানুষ কবি হেলাল হাফিজের স্মৃতিকে সম্মান করে। তারা তাঁর কবিতার মাধ্যমে তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে চায়।
কবি হেলাল হাফিজের স্মৃতিসভা নেত্রকোনার মানুষের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই সভায় কবির বন্ধু ও অনুসারীরা তাঁর স্মৃতিকে সম্মান করেন।
কবি হেলাল হাফিজের কবিতা বাংলাদেশের সাহিত্যে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তাঁর কবিতা বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করেছে।



