গতকাল গণসংযোগ করে ফেরার পথে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা যেভাবে ওসমান হাদিকে গুলি করেছে, এ ঘটনার পর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া কোনো ব্যক্তি আর নিরাপদে নেই। গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ কয়েকজন ব্যক্তিকে টার্গেট করেছে। তাঁদের মধ্যে গতকাল গুলিবিদ্ধ হওয়া ওসমান হাদি অন্যতম ছিলেন। টার্গেট করা অন্য প্রার্থীদের ওপরও হামলার আশঙ্কা আছে।
তিনি বলেন, সরকার যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে তারা কীভাবে জনসংযোগ করবে। রাশেদ খান আরও বলেন, এই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করতে পারবে না।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে ‘মাজাভাঙা’ উপদেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, সরকার যদি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চায়, তাহলে সর্বপ্রথম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে।
রাশেদ খান আরও বলেন, আগামীকাল হয়তো তার পালা, আপনার পালা। সরকার যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে তারা কীভাবে জনসংযোগ করবে। তিনি বলেন, এই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
ওসমান হাদিকে গুলি করেছে এমন ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান রাশেদ খান। তিনি বলেন, চিরুনি অভিযান শুরু করতে হবে। আওয়ামী লীগকে আপনারা ধরছেন না, বরং আমরা দেখেছি, তারা জামিন পাচ্ছে।
রাশেদ খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগেরও দাবি জানিয়ে গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘এই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কোনোভাবেই আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারছেন না।’
ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে রাশেদ খান এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। এ সময় তিনি ওসমান হাদির পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। তিনি বলেন, ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা খোঁজার জন্য তিনি হাসপাতালে এসেছেন।
রাশেদ খান বলেন, ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সরকারের দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে তারা কীভাবে জনসংযোগ করবে। তিনি বলেন, এই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।



