রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদকের ব্যাপক চর্চা একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে এমন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে মাদক চর্চা ও ব্যবহারের ঘটনা বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্র ও মানবাধিকার সংস্থা মনে করে, এই মাদক শুধু রোহিঙ্গাদের জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং বাংলাদেশের সমাজ ও নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলছে। মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমাণে মাদক রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসে।
ক্যাম্পে মাদকের ব্যবহার মূলত যুবক ও তরুণদের মধ্যে বেশি। অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে—কিছু যুবক মানসিক চাপ, হতাশা ও ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা কাটাতে মাদক ব্যবহার করছে। এছাড়া, অপরাধী চক্রগুলোর প্রলোভনও কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
মাদক ব্যবহারের ফলে ক্যাম্পের ভেতরে নানাবিধ সামাজিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এসব প্রভাব শুধু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং বাংলাদেশের স্থানীয় জনসংখ্যার জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এই ক্ষতি থেকে বাঁচতে হলে এখনই মাদক চোরাচালান ও ব্যহারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক ব্যবহারের ফলে সরাসরি প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে। বিশেষ করে, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও আশপাশের জেলা। এতে সম্ভাব্য কী কী ক্ষতি হচ্ছে? মাদকের কারণে অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, হেনস্তা—এসব ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদক চোরাচালান ও ব্যবহার সীমান্ত নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
এভাবে দেখা যাচ্ছে, মাদকের প্রভাব শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্পেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সরাসরি বাংলাদেশের মাটিতে পৌঁছে যাচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একসাথে কাজ করতে হবে। মাদক চোরাচালান ও ব্যবহার রোধ করতে হলে কঠোর আইন প্রয়োগ করা প্রয়োজন। এছাড়াও, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। তাদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানাতে হবে। একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে মাদক চোরাচালান ও ব্যবহার রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়াও, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। তাদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানাতে হবে। একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। আশা করা যায়, সকল পক্ষ মিলে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।



